Header Ads

নদী সাঁতরে দক্ষিণ কোরীয়ায় কিমের সেনা পলায়ন !! এ নিয়ে তোলপাড় !! বিস্তারিত...

দক্ষিণ কোরিয়ার জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ বলেছেন, খরস্রোতা নদীর অপেক্ষাকৃত সরু অংশ দিয়ে সাঁতার কেটে পালিয়ে এসেছেন ওই সেনা। ভেসে থাকার সুবিধার্থে ঘাড়ে ফোম বেঁধে নিয়েছিলেন তিনি।
উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়ার সীমান্ত আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত নয়। তবে সীমানা রেখা রয়েছে। যার দুই পাশে উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার সেনাদের কড়া পাহারা রয়েছে। গত সপ্তাহে কঠোর নিরাপত্তাবেষ্টনীর এই সীমান্ত হেঁটে পার হয়ে দক্ষিণ কোরিয়ায় চলে আসেন এক উত্তর কোরীয় সেনা। আগে উত্তর কোরিয়ার সেনাদের পালিয়ে যাওয়ার হার ছিল বছরে একজনের মতো। কিন্তু এবার এক সপ্তাহে দুজন পালিয়ে গেলেন।
দক্ষিণ কোরিয়ার বার্তাসংস্থা ইয়োনহ্যাপ জানিয়েছে, সবশেষ পালিয়ে আসা সেনার বয়স ২০ বছরের কাছাকাছি। রাজধানী সিউলের পশ্চিমে তাকে পাওয়া যায়। পালিয়ে আসা সেনা গোঁঙানির স্বরে বলছিলেন, ‘আমাকে হত্যা করো না। দেশ ত্যাগ করে আমি এখানে পালিয়ে এসেছি। ’ তবে তাকে এখন জিজ্ঞাসাবাদ করবেন দক্ষিণ কোরিয়ার সেনা কর্মকর্তারা।
- See more at: http://www.bd-pratidin.com/international-news/2017/06/18/241134#sthash.tOWARB2D.dpuf


দক্ষিণ কোরিয়ার জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ বলেছেন, খরস্রোতা নদীর অপেক্ষাকৃত সরু অংশ দিয়ে সাঁতার কেটে পালিয়ে এসেছেন ওই সেনা। ভেসে থাকার সুবিধার্থে ঘাড়ে ফোম বেঁধে নিয়েছিলেন তিনি।

উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়ার সীমান্ত আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত নয়। তবে সীমানা রেখা রয়েছে। যার দুই পাশে উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার সেনাদের কড়া পাহারা রয়েছে। গত সপ্তাহে কঠোর নিরাপত্তাবেষ্টনীর এই সীমান্ত হেঁটে পার হয়ে দক্ষিণ কোরিয়ায় চলে আসেন এক উত্তর কোরীয় সেনা। আগে উত্তর কোরিয়ার সেনাদের পালিয়ে যাওয়ার হার ছিল বছরে একজনের মতো। কিন্তু এবার এক সপ্তাহে দুজন পালিয়ে গেলেন।

দক্ষিণ কোরিয়ার বার্তাসংস্থা ইয়োনহ্যাপ জানিয়েছে, সবশেষ পালিয়ে আসা সেনার বয়স ২০ বছরের কাছাকাছি। রাজধানী সিউলের পশ্চিমে তাকে পাওয়া যায়। পালিয়ে আসা সেনা গোঁঙানির স্বরে বলছিলেন, ‘আমাকে হত্যা করো না। দেশ ত্যাগ করে আমি এখানে পালিয়ে এসেছি। ’ তবে তাকে এখন জিজ্ঞাসাবাদ করবেন দক্ষিণ কোরিয়ার সেনা কর্মকর্তারা।
 বিস্তারিত ভিডিওতে

                
Powered by Blogger.